সিলেটের ট্রাভেল ব্যবসায় পরিচিত প্রতিষ্ঠান সিপার এয়ার সার্ভিস তাদের ৩৫ বছর পূর্তি জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান করে উদযাপন করেছে।
সোমবার রাতে নগরীর এক অভিজাত কনভেনশন হলে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ট্রাভেল ব্যবসায় ২৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে যাত্রীসেবায় কাজ করা ১০ জন পর্যটন ব্যবসায়ীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
তাঁরা হলেন সুভাষ চন্দ্র সেন চৌধুরী, হামিদুর রশিদ চৌধুরী, মো. জামাল উদ্দিন, মো. আবু জাফর, আবদুল্লাহ জাহেদ, সেলিম আল রাজি, রূপশ্রী পৈট্টি, ফরহাদ আহমেদ চৌধুরী, মো. মারুফ আহমেদ ও পঙ্কজ কুমার বড়ুয়া। সিলেটের ট্রাভেল ব্যবসায় দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য আবদুল মুকিত চৌধুরীকেও বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দ্য বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম। তিনি সিপার এয়ার সার্ভিসকে বিমান চলাচলের জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, সিপার এয়ার সার্ভিসের যাত্রা ব্যতিক্রমী। খন্দকার সিপার আহমেদ প্রতিযোগীদের সঙ্গেও কাজ করেন, আর আজকের এই আয়োজন তারই প্রমাণ। ট্রাভেল ব্যবসার পাশাপাশি তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্সের নেতৃত্বও দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্বচ্ছ ও নৈতিক ট্রাভেল ব্যবসার একটি উদাহরণ হিসেবে সিপার এয়ার সার্ভিসের ভূমিকা প্রশংসনীয়। সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সিলেটবাসীর আস্থা অর্জন করেছে এবং একটি সাধারণ ট্রাভেল এজেন্সির সীমা পেরিয়ে এখন এটি এক গ্রহণযোগ্য ও সম্মানিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জেলা ব্যবস্থাপক শরিফুল আলম প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও বক্তব্য দেন ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমেদ, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলামসহ জাজিরা এয়ারওয়েজ, ওমান এয়ার, থাই এয়ারওয়েজ, এয়ার অ্যাস্ট্রা, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স, এয়ার অ্যারাবিয়া, ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারওয়েজ, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স, নভোএয়ার এবং এয়ার কমার্সের প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বারের সাবেক সভাপতি ই ইউ শহিদুল ইসলাম শাহীনের, সিলেট প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবির, এটাবের সাবেক সভাপতি আবদুল জব্বার জলিল এবং হাবের সাবেক সভাপতি মানসুর আলী খান।
সিপার এয়ার সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার সিপার আহমেদ বলেন, মানুষের সেবা করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি ট্রাভেল ব্যবসায় যুক্ত হন।
তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন এই অঙ্গীকার নিয়েই কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।
অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ ১২টি দেশি ও বিদেশি এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
হাফেজ আহমেদ আবদুল বাসিত পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। শেষ পর্বে র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী পর্ব সঞ্চালনা করেন আবদুল্লাহ মাসুম। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সিপার এয়ার সার্ভিসের পরিচালক খন্দকার ইসরার আহমেদ রকি ও খন্দকার কাউসা
