দ্রুত দুবাই রুটে ফ্লাইট শুরু হবে: বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী

লেখক: শাহানুর রহমান মুকুট
প্রকাশ: ১ মাস আগে

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, বর্তমানে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ ও মাসকাট রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা অন্যান্য গন্তব্যের মধ্যে দুবাই রুট পুনরায় চালুর বিষয়টি সরকার বিবেচনায় নিয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো মূল্যায়ন করে এ রুট চালুর ব্যাপারে আলোচনা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের মন্ত্রণালয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি নির্দেশনা দিলেন যেন স্বচ্ছভাবে সবকিছু চলে। বিমান বোর্ডটা যাতে ভালো হয় এবং বিমানের যে এমপ্লয় শর্টেজ আছে সেগুলোকে পূরণ করে বিমানের সার্ভিস জনগণের স্বার্থে যাতে আমরা ইউজ করতে পারি।
তিনি বলেন, জনসাধারণের দুর্ভোগ কমানোর বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগে একটি গেট ছিল মাত্র বের হওয়ার জন্য। যাত্রীদের সেই আটটি বেল্টের লোক একটা গেট দিয়ে বের হতো, স্ক্যানার মেশিনে একটা ছিল। আমরা এরইমধ্যে ভিজিটে গিয়ে দুটি করেছিলাম। তিনি আমাদেরকে বললেন (প্রধানমন্ত্রী) যে প্রয়োজনে তিনটা করে দেন যাতে জনদুর্ভোগ না হয়। দুই-তিনটা ফ্লাইট আসলে অনেকগুলো ভিড় হয়। সেই ভিড়ের মধ্যে খুব তাড়াতাড়ি যাতে লাগেজ নিয়ে আমাদের জনগণ সুন্দরভাবে তাড়াতাড়ি বের হতে পারে।

বিমানের কিছু শেয়ার বেসরকারি খাতে ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি জানান, মন্ত্রণালয় থেকে বিমানের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের বাইরে থেকে একজন সিইও নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে আন্তর্জাতিক মানের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত করা যায়। এতে জনসেবার মান ও স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে চলা সম্ভব হবে।

মিল্লাত বলেন, আমরা এগুলো দেখছি কীভাবে সব কম্বাইন্ড করে টিকিটের দামটা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। সেগুলো নিয়ে আমরা ওয়ার্ক আউট করছি। আমরা আশা করি কিছুদিনের মধ্যেই দেখতে পারবেন বিমানের চেঞ্জ। অনেক ভঙ্গ ছিল, মানে কোনো আইন-কানুন মেনে কিছু করা হয়নি আগে। এখন আমরা একটু ফরমেশনে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, টার্মিনালের ব্যাপারে গেট করার মতো নির্দেশ দিয়েছে। আমরা যতটুকু সম্ভব দেখতে হবে যাতে ঠিকভাবে করা যায়। এয়ারপোর্ট তো খুব একটা বড় না। টি-টু তো, আমরা টি-ওয়ান। একটা গেট ছিল, একটাই মাত্র গেট ছিল। স্ক্যানার মেশিন একটা ছিল। আমাদের এনবিআরকে একটু বলতে হবে। এটা লজিস্টিক আছে। এনবিআর থেকে কিছু লাগবে। কাস্টমসের লোক লাগবে, স্ক্যানার মেশিন লাগবে। সেজন্য আমরা যত দ্রুত সম্ভব বলব যাতে স্ক্যানার মেশিনসহ জনবল দেওয়া হয়।
  • travel based first digital media
  • দুবাই রুট
  • ভ্রমণ বিষয়ক প্রথম ডিজিটাল মিডিয়া
  • মধ্যপ্রাচ্য সংকট