বাংলাদেশের এয়ারলাইন্সগুলো চলতি বছর আন্তর্জাতিক বাজারে আরও সক্রিয়ভাবে প্রবেশের পরিকল্পনা করছে। যদিও নতুন রুট চালুর ক্ষেত্রে তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো প্রয়োজনীয় উড়োজাহাজের ঘাটতি।
নবীন এয়ারলাইন্স এয়ার অ্যাস্ট্রা নতুন উড়োজাহাজ পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক রুটে প্রবেশ করবে। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে লিজের মাধ্যমে নতুন বিমান পাওয়ার পর নেপাল, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক ও সিঙ্গাপুর রুটে ফ্লাইট চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
আরেক বেসরকারি এয়ারলাইন্স নভোএয়ার তিন বছর প্রচেষ্টার পর আন্তর্জাতিক রুটে প্রবেশের লক্ষ্য রাখছে। বিমান লিজ নেওয়ার চেষ্টা চললেও বিশ্বব্যাপী উড়োজাহাজের ঘাটতি তাদের পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি মাসের শেষে তাদের প্রতিনিধি দল ডাবলিন সফরে গিয়ে বিমান নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে। সাফল্য পেলে বছরের মাঝামাঝি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক চালু করা সম্ভব হবে।” নভোএয়ারের প্রাথমিক লক্ষ্যগুলো হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর এবং মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই, শরজাহ ও মাসকট।
সবচেয়ে বড় বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলা গত কয়েক বছর ধরে ইউরোপে ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লন্ডন ও রোম রুটে ফ্লাইট শুরু করতে তারা কঠোর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণে কাজ করছে। চলতি বছরের মধ্যেই ইউরোপে ফ্লাইট চালুর আশা রয়েছে। এছাড়া মদিনা রুটে নতুন ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, তবে তার জন্য আরও তিন-চারটি নতুন উড়োজাহাজ প্রয়োজন।
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে ২২টি আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া ও আমেরিকায় প্রবেশের পরিকল্পনা আছে, তবে এটি নতুন উড়োজাহাজের ওপর নির্ভর করছে। বোয়িং থেকে ১৪টি নতুন বিমান কিনলেও হাতে পাওয়ার জন্য চার-পাঁচ বছর সময় লাগবে। এজন্য আপাতত লিজের মাধ্যমে নতুন বিমান আনার চেষ্টা চলছে। আর জানুয়ারি ২৯ তারিখে তারা শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা করাচি ফ্লাইট।
