দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা এয়ার অ্যাস্ট্রা ঢাকা–সিলেট রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় আগামী ১ জুলাই থেকে এই রুটে প্রতিদিন তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন এই উদ্যোগের ফলে দেশের অন্যতম ব্যস্ত অভ্যন্তরীণ রুটে ভ্রমণ আরও সহজ, দ্রুত ও সুবিধাজনক হবে বলে জানিয়েছে এয়ারলাইনটি।
এয়ার অ্যাস্ট্রার প্রকাশিত নতুন ফ্লাইট সূচি অনুযায়ী, ঢাকা থেকে সিলেটগামী ফ্লাইটগুলো পরিচালিত হবে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট, দুপুর ১টা ২৫ মিনিট এবং সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে। অন্যদিকে সিলেট থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইটগুলো ছেড়ে যাবে সকাল ৮টা ৩০ মিনিট, দুপুর ২টা ৪০ মিনিট এবং রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে।
বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন সময়সূচি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে ব্যবসায়িক, পারিবারিক ও পর্যটন উদ্দেশ্যে ভ্রমণকারী যাত্রীরা আগের তুলনায় আরও বেশি সময়ের বিকল্প পাবেন। বিশেষ করে কর্মব্যস্ত যাত্রীদের জন্য সকালে, দুপুরে এবং সন্ধ্যায় পৃথক ফ্লাইটের ব্যবস্থা যাতায়াতকে আরও নমনীয় করে তুলবে।
এয়ার অ্যাস্ট্রার তথ্যমতে, ঢাকা–সিলেট রুটে ওয়ান-ওয়ে ভাড়া শুরু হবে ৫ হাজার ৫৪৯ টাকা থেকে। ভাড়া আসনপ্রাপ্যতা ও নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে প্রযোজ্য হবে। যাত্রীরা এয়ার অ্যাস্ট্রার ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট বুক করতে পারবেন।
সিলেট বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও পর্যটন অঞ্চল। দেশের চা-বাগান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং প্রবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলে সারা বছরই যাত্রী চলাচল উল্লেখযোগ্য। ফলে ঢাকা–সিলেট রুটে অতিরিক্ত ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত যাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এয়ার অ্যাস্ট্রা কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্রাহকদের উন্নত সেবা প্রদান এবং অভ্যন্তরীণ বিমান যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তারা নিয়মিতভাবে রুট ও ফ্লাইট সংখ্যা পর্যালোচনা করছে। নতুন এই ফ্লাইট সংযোজনের মাধ্যমে দেশের বিমান পরিবহন খাতে যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
নতুন ফ্লাইট সূচি (১ জুলাই থেকে)
ঢাকা → সিলেট
ফ্লাইট 2A431: সকাল ৭:১৫ – ৮:০৫
ফ্লাইট 2A433: দুপুর ১:২৫ – ২:১৫
ফ্লাইট 2A435: সন্ধ্যা ৭:৪০ – ৮:৩০
সিলেট → ঢাকা
ফ্লাইট 2A432: সকাল ৮:৩০ – ৯:২০
ফ্লাইট 2A434: দুপুর ২:৪০ – ৩:৩০
ফ্লাইট 2A436: রাত ৮:৫৫ – ৯:৪৫
এয়ার অ্যাস্ট্রার এই নতুন উদ্যোগের ফলে ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে আকাশপথে যাতায়াত আরও সহজতর হবে এবং যাত্রীরা তাদের সুবিধামতো সময়ে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।
