সরকার প্রণীত ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ–২০২৬–এর বৈধতা প্রশ্নে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। ১০টি ট্রাভেল এজেন্সির মালিকের পক্ষে এ রিটটি দায়ের করেন এলহাম ট্রাভেল কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ জুমান চৌধুরী।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) তিনি নিজেই রিট দায়েরের তথ্য নিশ্চিত করেন। আবেদনে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশটির কার্যকরতা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার পাশাপাশি এর কয়েকটি ধারা ও বিধান বাতিলের দাবিও জানানো হয়েছে।
রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশটি তার আইনগত সীমা ছাড়িয়ে গেছে এবং এর মাধ্যমে সংবিধানস্বীকৃত মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। আবেদনকারী পক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, অধ্যাদেশটির কয়েকটি ধারা ট্রাভেল ব্যবসার ওপর অযৌক্তিক নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে ব্যবসা পরিচালনায় গুরুতর প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।
বিশেষত এক ট্রাভেল এজেন্সি যেন অন্য এজেন্সির কাছ থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয় করতে না পারে—এমন বিধান, শুনানি ছাড়াই নিবন্ধন সনদ স্থগিতের সুযোগ, কারাদণ্ড ও জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি, ১০ লাখ টাকা জামানত বাধ্যতামূলক করা এবং ট্রাভেল এজেন্সির ভৌত ঠিকানায় রিক্রুটিং এজেন্সি পরিচালনায় নিষেধাজ্ঞাসহ সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো বাতিলের আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি, অধ্যাদেশটি প্রকাশের গেজেটের কার্যকারিতার ওপরও স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি সরকারিভাবে ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ–২০২৬ প্রকাশ করা হয়। এ অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে ইতোমধ্যে অসন্তোষ জানিয়েছে ট্রাভেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)।
