বাতিল ফ্লাইটের টিকিট রিফান্ড বা রি-শিডিউল করবেন যেভাবে

লেখক: চেক ইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান নিরাপত্তা সংকটের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক আকাশপথে। এর ফলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, যার কারণে বিপাকে পড়েছেন প্রায় ত্রিশ হাজার যাত্রী। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্লাইট বাতিল হওয়া যাত্রীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তারা বিনামূল্যে টিকিট পুনঃনির্ধারণ (রি-শিডিউল) করতে পারবেন অথবা চাইলে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত (রিফান্ড) নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

ফ্লাইট বাতিলের ক্ষেত্রে যাত্রীদের প্রথমেই সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স বা যে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট কেনা হয়েছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এয়ারলাইন্সগুলোর কল সেন্টারে অতিরিক্ত চাপ থাকায় যোগাযোগ করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, তাই যাত্রীদের ধৈর্য ধরতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে বিশেষ বা উদ্ধার ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্যের দিকেও নজর রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। ইতোমধ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দুবাই থেকে দুটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে ৭৮৩ জন আটকে পড়া প্রবাসী বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এ ধরনের জরুরি ফ্লাইটের তথ্য জানতে যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি টিকিট বুকিংয়ের সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর ও ইমেইল সচল রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রয়োজনীয় বার্তা দ্রুত পৌঁছায়।

এদিকে যেসব প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে বা শেষ হওয়ার পথে, তাদের সহায়তায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এ জন্য একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে, যা প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ভিসা বা ইকামা নবায়নের ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো জটিলতা হলে প্রবাসীরা মন্ত্রণালয়ের হটলাইন ১৬১৩৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ফ্লাইট নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অযথা বিমানবন্দরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই করে গুজব এড়িয়ে চলা এবং কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বানও জানানো হয়েছে। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ধৈর্য ও সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়াই যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সহায়ক হবে।

  • ফ্লাইট বাতিল