মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের চলাচল মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার (০১/০৩/২০২৬ এবং ০২/০৪/২০২৬) দুই দিনব্যাপী একাধিক ফ্লাইট বাতিল এবং কিছু ফ্লাইট সচল থাকলেও পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত। বিমান চলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।
গত দুই দিনে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩টি আগমনী (এরাইভাল) এবং ৪টি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ২টি এরাইভাল এবং ২টি ডিপার্চার ফ্লাইট, এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ থেকে ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চার ফ্লাইট এবং সালাম এয়ারের ১টি এরাইভাল ও ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত।
যেখানে কিছু ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, সেখানে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ১৪টি আগমনী ফ্লাইট এবং ১৩টি প্রস্থান ফ্লাইট সচল ছিল। তবে সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া এবং ইউএস-বাংলার শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি থেকে চট্টগ্রাম ফ্লাইট স্থবির অবস্থায় রয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগমনী ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা উল্লেখযোগ্য এবং পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থা চলতে পারে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ২৮/০২/২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত মোট ২৩৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত দুই দিনের বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা ১৭টি। যাত্রীদের সুবিধার্থে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ফ্লাইট সম্পর্কিত তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করছে।
প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল, জনসংযোগ কর্মকর্তা, জানান যে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য বিমানবন্দর পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কিছু ফ্লাইট স্থগিত থাকবে।”
