বোয়িং কেনা নিয়ে চাপের অভিযোগ নাকচ করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

লেখক: রাইসুল ইসলাম
প্রকাশ: ১৮ ঘন্টা আগে

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বোয়িং কিনতে হবে—এমন কোনো চাপ নেই। দেশের চাহিদা রয়েছে বলেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বিমান কেনা হবে।

রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও বাংলাদেশের কার্যকর কর্মসম্পর্ক গড়ে উঠছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার কাঠামো নিয়েই সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনি বৈধতা ও জনগণের সমর্থনের কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের দৃশ্যমানতা ও কৌশলগত গুরুত্ব বেড়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কৌশলগত সম্পর্ক দেশের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক সম্ভাবনা তৈরি করছে।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়া ও আশপাশের অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই অবস্থান কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমান চলাচল কেন্দ্র বা আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, দেশের পরিবহন ও বিমান যোগাযোগব্যবস্থা এখনো সম্ভাবনার তুলনায় সীমিত। ভৌগোলিক অবস্থান কাজে লাগিয়ে বিমান চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে।

ভুটান, বাহরাইন ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে অভিন্ন স্বার্থে আঞ্চলিক দেশগুলো যাতে সমন্বিত অবস্থান নিতে পারে, সে বিষয়েও বাংলাদেশ কাজ করছে।

 

  • বিমান-বোয়িং চুক্তি
  • বোয়িং
  • সর্বশেষ