বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা, প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং তদারকি সক্ষমতা উন্নয়নে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্টের (ডিএফটি) আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী ‘এভিয়েশন সিকিউরিটি সুপারভাইজার ট্রেনিং’ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) শেষ হয়েছে।
ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের উদ্যোগে এবং বেবিচকের এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরের এভসেক সুপারভাইজার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে যুক্তরাজ্যের প্রশিক্ষকেরা বিমান নিরাপত্তার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দেন। বিশেষ করে পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা, তদারকি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর মো. আসিফ ইকবাল বলেন, বিমান নিরাপত্তার ঝুঁকি ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই নিরাপত্তাকর্মীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রস্তুতি নিয়মিতভাবে উন্নত করা জরুরি।
তিনি বলেন, বিমান নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় এবং শক্তিশালী নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যাত্রীসেবা উন্নয়ন ও যাত্রী চলাচল আরও নির্বিঘ্ন করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আসিফ ইকবাল।
সমাপনী অনুষ্ঠানে ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর রায়ান ডানকানসন বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিমান নিরাপত্তা সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের আগ্রহের কথা জানান।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্ট, ব্রিটিশ হাইকমিশন ও বেবিচকের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।
