দুর্ঘটনা, গুরুতর অসুস্থতা, ভিসা জটিলতা বা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে নির্ধারিত হজ ফ্লাইটে যেতে না পারলে সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের বিমান ভাড়ার টাকা ফেরত দিতে এয়ারলাইনসগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. তফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে হজ প্যাকেজ ও গাইডলাইন ২০২৬-এর ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের ১৭ ও ১৮ ধারার নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। গাইডলাইন অনুযায়ী, কোনো হজযাত্রী নির্ধারিত ফ্লাইটে যেতে না পারলে তাকে প্রতিস্থাপন (রিপ্লেসমেন্ট) সুবিধা দিতে হবে।
এছাড়া, ওই যাত্রীর সঙ্গে সহগামী হিসেবে নিবন্ধিত পরিবারের কোনো সদস্যও যদি একই কারণে হজে যেতে না পারেন, তবে তাকেও প্রতিস্থাপন সুবিধা দিতে হবে। একইসঙ্গে টিকিট প্রতিস্থাপন ও ভাড়ার অর্থ ফেরতের বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিস্থাপনের ফলে এয়ারলাইনসগুলোর নির্ধারিত কোটায় কোনো পরিবর্তন হবে না। সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যাচ্ছেন। গত ১৮ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হওয়ার পর ইতোমধ্যে প্রায় ৪৫ হাজার যাত্রী সেখানে পৌঁছেছেন।
প্রতি বছরের মতো এবারও শারীরিক অসুস্থতা, সময়মতো ফ্লাইট ধরতে না পারা বা অন্যান্য কারণে কিছু যাত্রী নির্ধারিত ফ্লাইট মিস করেছেন। এ পরিস্থিতিতে হজযাত্রীদের আর্থিক ক্ষতি কমাতে ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তে অনেক হজযাত্রী আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন।
