কক্সবাজার বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি–তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ‘ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাঙ্গবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
শীতকালে ঘন কুয়াশা বা বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক সময় বিমান ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করতে না পেরে পার্শ্ববর্তী দেশে ডাইভার্ট করতে হয়। এ প্রসঙ্গে বিমানবন্দরের ক্যাটাগরি উন্নীত করার সম্ভাবনা নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমাদের এয়ারপোর্ট ক্যাটাগরি ওয়ান ছিল, এটাকে আমরা ক্যাটাগরি টু–তে উন্নীত করেছি। ক্যাটাগরি টু–তে গেলে ৫০ মিটার পর্যন্ত আমাদের ভিজিবিলিটিতে একটা প্লেন ল্যান্ড করতে পারে।
শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, আমাদের আবহাওয়াজনিত যখন বৈরি অবস্থা তৈরি হয় তখন সামান্য কিছু ফ্লাইট ডাইভার্টেড হয়। আমরা যদি শাহজালাল বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি–তে উন্নীত করতে চাই আমাদের এয়ারপোর্ট, তাহলে উত্তরার অনেক বাড়িঘর আমাদের ভাঙতে হবে। সো এত বিশাল ভাঙতে হবে, যে ভাঙাটা আমাদের জন্য প্র্যাকটিক্যাল না, বাস্তব না।
‘পত্রিকায় প্রতিবেদন দেখেছি বছরে ২০–২৫টা ফ্লাইট ডাইভার্টেড হয়, এটা সম্ভবত আমাদের মেনে নিতে হবে। আমাদের কক্সবাজারকে আমরা চেষ্টা করছি যে এটাকে ক্যাটাগরি থ্রি–তে উন্নীত করতে। কারণ কখনো কখনো আমাদের ফ্লাইট কলকাতাতে যায়, কখনো ব্যাংককে যায়। সো আমরা যদি কক্সবাজারকে ক্যাটাগরি থ্রি–তে উন্নীত করতে পারি, তাহলে আমরা হয়তোবা ফ্লাইট ডাইভার্ট করে কক্সবাজারে নিয়ে যাবো
তিনি আরও বলেন, আমাদের কক্সবাজারের রানওয়ে ঢাকার রানওয়ের থেকেও বড়। ঢাকার ১০ হাজার ৫০০ ফিট, কক্সবাজার ১৪ হাজার ফিট। আমরা যদি কক্সবাজারকে ক্যাটাগরি থ্রি–তে নিয়ে আসতে পারি, আশা করি তখন আর বিদেশে যেতে হবে না, আমাদের দেশের মধ্যে আমরা থাকতে পারবো।
