সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে ৩-৪ নভেম্বর

লেখক: শাহানুর রহমান মুকুট
প্রকাশ: ১৯ ঘন্টা আগে

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণের মৌসুম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ওই দিন থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে না। সরকারি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষ করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আগামী ৩ থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচল শুরু হতে পারে।
তবে ১ নভেম্বর থেকেই সেন্টমার্টিন ভ্রমণে ইচ্ছুক পর্যটকদের নিবন্ধনের জন্য বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ওয়েবসাইট চালু করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের শহীদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান জাহাজ মালিকেরা।
জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর বলেন, ১ নভেম্বরের মধ্যে জাহাজ চলাচলের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৩ থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
সভা শেষে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, সেন্টমার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের নির্ধারিত শর্ত বাস্তবায়নের নিশ্চয়তার ভিত্তিতে জাহাজ চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলোর কোনো ব্যত্যয় যাতে না ঘটে, সে জন্য ট্যুরিজম বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে।
স্কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক জানান, চলতি মৌসুমে সেন্টমার্টিন রুটে চলাচলের জন্য নৌপরিবহন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে ইতোমধ্যে তিনটি জাহাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আরও সাতটি জাহাজের অনুমোদন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া জাহাজগুলো চলাচলের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ বছর থেকে সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার অনুমোদন পাওয়া তিনটি জাহাজ পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পেলেও প্রয়োজনীয় কিছু দাপ্তরিক কাজ এখনো বাকি রয়েছে। এসব প্রক্রিয়া শেষ হলেই জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান। এতে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার কার্যালয়ের পুলিশ সুপার নিশাত এঞ্জেলা, ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবদূত মজুমদার, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
  • travel based first digital media
  • জাহাজ
  • ট্যুরিজম
  • ভ্রমণ বিষয়ক প্রথম ডিজিটাল মিডিয়া
  • সেন্টমার্টিন