পর্যটকদের জন্য খুলেছে রাঙ্গামাটি, খুলছে খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানও

লেখক:
প্রকাশ: ১ বছর আগে

চেক ইন রিপোর্ট
গেলো ১লা নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য রাঙ্গামাটি খুলে দিয়েছে সরকার। আগামী ৫ নভেম্বর থেকে খাগড়াছড়ি খুলে দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে খুলে দেয়া হবে বান্দরবানও।
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা সু প্রদীপ চাকমা এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জানি এই পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটক বন্ধ থাকায় এ খাতের ব্যবসায়ীরা দুর্বল হয়ে পড়েছেন এবং এ খাত কিছুটা বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে। সরকারের অ্যাসেসমেন্ট আছে যে, বর্তমানে পার্বত্য জেলাগুলোর পরিবেশ মোটামুটি শান্ত হয়েছে। আমরা মনে করি না আর আগের মতো অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হবে। গত ১৮, ১৯ আগস্ট একটা চুরির ঘটনা এবং এরপর গত ১ অক্টোবর একটি ধর্ষণের ঘটনার পর পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। হঠাৎ করে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু আমরা চাচ্ছি সবাই মিলে এই সমস্যাগুলো থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসতে। পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে একটি সুসম্পর্ক বজায় থাকুক। এটা খুবই জরুরি। আমাদের অন্তর্বর্তী সরকার এটা খুব ভালো করে বোঝে এবং চেষ্টা করছে এ ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে। একই সঙ্গে সবাইকে অনুরোধ জানাব আইন যেন কেউ নিজের হাতে তুলে না নেয়।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্যবাসী অনেক সময় মনে করেন যে, তারা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেগুলোর কোনো বিচারের সুরাহা এখন পর্যন্ত হয়নি। এজন্য তাদের ভেতরে এমন মনোভাব তৈরি হয়েছে। আমরা পাহাড়িদের আশ্বস্ত করতে চাই, যারা প্রকৃত অপরাধী তারা শাস্তি পাবেই এবং যারা নিরপরাধ তারা যেন কোনো অবস্থাতেই হয়রানির স্বীকার না হয় সেই চেষ্টা চালিয়ে যাব আমরা।
তাহলে কী মনে করছেন পাহাড়ে আর অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে না? এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, হঠাৎ করে একটা ঘটনা ঘটে গেলে সেটা তো বলতে পারব না। এ ধরনের ঘটনা আমেরিকাসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও ঘটছে। এটুকুই বলব সেখানে পর্যটক যাওয়ার মতো পরিবেশ রয়েছে। আমাদের সার্ভিস সেক্টর পর্যটকদের জন্য বসে আছে।
পাহাড়ে শান্তি ফেরানোর বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগ সফল হবে বলে মনে করছেন কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার যেই আসুক সবারই চেষ্টা থাকে শান্তি বজায় রাখার। যেহেতু এই অঞ্চলটা আমাদের বাংলাদেশের। ফলে সরকার যেই হোক উদ্যোগ তো থাকবেই।