ঢাকা-ইস্তাম্বুল রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স। বর্তমানে সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করা হলেও আরও তিনটি ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আগ্রহ জানিয়েছে তুরস্কের পতাকাবাহী এয়ারলাইনটি।
বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে তুরস্কের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠকে বিষয়টি উঠে আসে। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে।
বৈঠকে টার্কিশ এয়ারলাইন্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইসলাম গুরেসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টার্কিশ এয়ারলাইন্সের অতিরিক্ত তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার আগ্রহকে স্বাগত জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।
এ সময় ঢাকা-ইস্তাম্বুল রুটের পাশাপাশি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেও তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। এসব বিমানবন্দর থেকে তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে আন্তর্জাতিক যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে।
বৈঠকে বিমান চলাচলের পাশাপাশি পর্যটন, বিনিয়োগ ও ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা সুবিধা সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা, পর্যটন ও জনগণের যোগাযোগ বাড়াতে সহজ ভিসা ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
এ ছাড়া বাংলাদেশের পর্যটন খাতে তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পটকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (PPP) আওতায় উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিমান চলাচল, পর্যটন, বিনিয়োগ এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।
