হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু করতে প্রায় ৬ থেকে ৯ মাস সময় লাগতে পারে। এ তথ্য জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
তিনি বলেন, জাপানের সঙ্গে করা পূর্ববর্তী চুক্তি পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। যদি চুক্তি চূড়ান্ত হয়, সেটিই বাস্তবায়ন করা হবে; না হলে উন্মুক্ত টেন্ডারের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
বুধবার (১১ মার্চ) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এর সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় চীনের সঙ্গে পর্যটন খাতে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) হয়েছিল, তবে তা থেকে কোনো অগ্রগতি হয়নি। চীন বর্তমানে পর্যটন বিনিয়োগে আগ্রহী এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর উন্নয়নে আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্রসৈকত তৈরি সংক্রান্ত বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই-বাছাই করছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে চীনে সপ্তাহে ১২টি ফ্লাইট চলে এবং চীন আরও তিনটি ফ্লাইট増 করতে চাচ্ছে। এই ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধির জন্য চীনের পক্ষকে আবেদন করতে বলা হয়েছে। গুয়াংজু এবং বেইজিংসহ তিনটি নতুন ফ্লাইট চালুর জন্য আবেদন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সিভিল এভিয়েশনে পাঠানো হবে এবং অনুমোদনের পর তা কার্যকর হবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীনের পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার সুযোগ রয়েছে। তিনি চীন-বাংলাদেশ বিমান যোগাযোগে আরও নতুন রুট যুক্ত করার অনুরোধ জানান।
