লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে স্বচ্ছতা আনতে বডি ক্যামেরা চালু বিমানের

লেখক: শাহানুর রহমান মুকুট
প্রকাশ: ৪ মাস আগে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তা মান উন্নয়নে তারা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান আরো উন্নত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসারে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন হলে যাত্রীদের লাগেজের তালা ভাঙা, চেইন কাটা কিংবা অংশবিশেষ অপসারণের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ও অবৈধ সামগ্রী সরিয়ে নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে যাত্রী বা সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের পূর্বানুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।

তবে বাস্তবতায় বিদেশফেরত অনেক যাত্রী লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জন্য দায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কিংবা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকের ওপর আরোপ করেন।

একই সঙ্গে লাগেজ চুরির ঘটনায় কিছু অসাধু চক্র জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে যাত্রীদের সম্পত্তি সুরক্ষা জোরদার, লাগেজ হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়ায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং দায়ী ব্যক্তি বা স্টেশন চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত এয়ারলাইন্সটি এই নতুন প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

বিমান কর্তৃপক্ষের জানায়, ২০২৪ সালের জুন মাস থেকে বিমানের নিজস্ব ফ্লাইটের ব্যাগেজ ডেলিভারি কার্যক্রমে নিয়োজিত কর্মীদের দেহে বডি-ওর্ন ক্যামেরা সংযুক্ত করা হয়। এতে সন্তোষজনক ফলাফল পাওয়া যাওয়ায় বর্তমানে বিমানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা গ্রহণকারী সব আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সকেও এই ক্যামেরানির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদান করা হচ্ছে।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) এই সেবা সম্প্রসারণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক (গ্রাহকসেবা) ও যুগ্মসচিব বদরুল হাসান লিটন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘যাত্রীদের সম্পত্তি সুরক্ষা এবং সেবার গুণগত মান রক্ষা করা আমাদের অঙ্গীকার। বডি-ওর্ন ক্যামেরা প্রযুক্তির মাধ্যমে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। এতে যাত্রীদের আস্থা যেমন বাড়বে, তেমনি আমাদের কর্মীদের পেশাদারিত্বও আরো সুস্পষ্ট হবে।

  • বডি ক্যামেরা
  • বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
  • লাগেজ হ্যান্ডেলিং