বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জাপানের সহযোগিতা চায় সরকার

লেখক: শাহানুর রহমান মুকুট
প্রকাশ: ১৮ ঘন্টা আগে

বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করার অগ্রযাত্রায় জাপানকে পাশে চায় সরকার। একই সঙ্গে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনাল-৩-এর উদ্বোধন যথাসময়ে সম্পন্ন করতে দ্রুত অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার (ওআরএটি) কার্যক্রম শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচির সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে অভিনন্দন জানান জাপানের রাষ্ট্রদূত। পরে দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা ও দুই দেশের সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় জাপানের সহযোগিতা চায় সরকার।

তিনি বলেন, সম্প্রতি চালু হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নবনির্মিত টার্মিনাল-৩ যথাসময়ে উদ্বোধনে বদ্ধপরিকর। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার (ওআরএটি) কার্যক্রম শুরু করা জরুরি।

তিনি জানান, এ বিষয়ে জাপানি সাব-ওয়ার্কিং গ্রুপের (এসডব্লিউজি) জমা দেওয়া প্রস্তাবের টেকনো-ফিনান্সিয়াল মূল্যায়ন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ নিয়ে নেগোশিয়েশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তৃতীয় টার্মিনালের সফল পরিচালনার জন্য লেটার অব অ্যাসিউরেন্সের বিষয়েও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে কাজ চলছে।

মন্ত্রী বলেন, আশা করা হচ্ছে, দ্রুত প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

পর্যটন খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দেশে পাঁচ শতাধিক হেরিটেজ ট্যুরিজম স্পট রয়েছে। এসব স্থানের উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, বুদ্ধিস্ট ট্যুরিজমের উন্নয়নেও জাপানের সঙ্গে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মডেলে কাজ করতে চায় সরকার। পাশাপাশি জাপানি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে কাজ করা হচ্ছে।

এ সময় হেরিটেজ ট্যুরিজমের উন্নয়নে জাপানি বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে প্রস্তাবও আহ্বান জানান মন্ত্রী।

সাক্ষাতে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে জাপানের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

 

  • travel based first digital media
  • এভিয়েশন হাব
  • জাপান
  • ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট
  • ভ্রমণ বিষয়ক প্রথম ডিজিটাল মিডিয়া