দীর্ঘ ১৮ বছর দায়িত্ব পালনের পর অবসরে যাচ্ছেন সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমেদ। ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর বিমানবন্দরে যোগদানের পর আগামী ৭ নভেম্বর (শনিবার) শেষ হচ্ছে তার কর্মজীবন। তার দায়িত্ব পালনকালে বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রীসংখ্যা প্রায় দুই লাখ থেকে বেড়ে ১০ লাখে পৌঁছেছে।
অবসরে যাওয়ার আগে নিজের দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে হাফিজ আহমেদ জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার সময় বছরে প্রায় দুই লাখ যাত্রী ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করতেন। বর্তমানে এ সংখ্যা বেড়ে সাড়ে নয় লাখ থেকে ১০ লাখে দাঁড়িয়েছে।
দীর্ঘদিনের কর্মস্থল থেকে বিদায় নেওয়ার আগে সিলেটবাসীর প্রতি বিমানবন্দরটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং যথাযথভাবে দেখভালের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সিলেটের মানুষের কল্যাণ কামনা করেছেন।
এদিকে তার অবসর উপলক্ষে গত বুধবার বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করে এয়ারলাইন্স ক্লাব অব সিলেট। নগরীর একটি রেস্তোরাঁর হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এয়ারলাইন্স ক্লাব অব সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি খন্দকার সিপার আহমেদ। তিনি বলেন, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সিলেটবাসীর আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে মো. হাফিজ আহমেদের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশেষ করে প্রবাসীরা যাতে বিমানবন্দরে সম্মানজনক ও আন্তরিক সেবা পান, সে লক্ষ্যে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।
এয়ারলাইন্স ক্লাব অব সিলেটের সভাপতি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জিহান চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সালাম এয়ারের বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুর রহমান।
