বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ব্রিটিশ বিনিয়োগের আহ্বান পর্যটনমন্ত্রীর

লেখক: শাহানুর রহমান মুকুট
প্রকাশ: ৭ ঘন্টা আগে

দেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, পর্যটন খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার বারিধারায় ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে ‘এ ককটেল রিসেপশন টু হাইলাইট ইউকে ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ ট্যুরিজম সেক্টর’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পর্যটনের সম্ভাবনা শুধু সুন্দরবন, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও সিলেটের মতো পরিচিত গন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বৈচিত্র্য রয়েছে। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্প গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, পর্যটন খাতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়াতে এবং বিনিয়োগের পরিবেশ সহজ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির অংশ হিসেবে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতের পারস্পরিক সম্পর্ক তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জন্য বোয়িং ও এয়ারবাসের সমন্বয়ে একটি টেকসই ও ভারসাম্যপূর্ণ বহর গঠনের লক্ষ্যে কাজ চলছে।

এয়ার কার্গো খাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতাও চান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের জুন থেকে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো কার্গো ও ডাককে ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইইউ। এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্বেগ নিরসনে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

মন্ত্রী জানান, গত ১৭ জুলাই যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিভাগের মূল্যায়নে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৮ শতাংশ এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯৪ শতাংশ স্কোর অর্জন করেছে। এ বিধিনিষেধ দ্রুত প্রত্যাহারে ব্রিটিশ হাইকমিশনের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন তিনি।

বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগের জন্য অনুকূল ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

  • travel based first digital media
  • পর্যটন
  • বিনিয়োগ
  • ভ্রমণ বিষয়ক প্রথম ডিজিটাল মিডিয়া