ডিসেম্বর থেকে চালু হতে পারে ঢাকা-করাচি ফ্লাইট

লেখক: শাহানুর রহমান মুকুট
প্রকাশ: ৫ মাস আগে

ডিসেম্বর থেকে পাকিস্তানের করাচি ও বাংলাদেশের ঢাকা রুটে সপ্তাহে তিনটি সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হোসেন খান এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, মহান এয়ারের এই উদ্যোগ দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার করবে।

লাহোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এলসিসিআই)-এ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে। এখন এলসিসিআই এবং লাহোরে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেটের যৌথ সুপারিশে ভিসা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “এই সংগঠনের সদস্যদের তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই ভিসা দেওয়া হবে। এতে দুই দেশের ভ্রমণ আরও দ্রুত ও সহজ হবে।”

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশে চাল রপ্তানি করতে পারে এবং বাংলাদেশ পাকিস্তানে তাজা আনারস সরবরাহ করতে পারে। পাশাপাশি টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতেও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

হাইকমিশনার জানান, দুই দেশের মধ্যে শিগগিরই সরাসরি কার্গো জাহাজ চলাচল শুরু হবে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে একটি কার্গো সেবা চালু থাকলেও বাড়তি বাণিজ্য চাহিদার কারণে এখন আলাদা একটি সরাসরি রুট প্রয়োজন হয়ে উঠেছে।

শিক্ষাখাতে সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের হায়ার এডুকেশন কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবে। ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা এ দলে থাকবেন এবং তাদের লক্ষ্য হবে আরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষায় আকৃষ্ট করা।

তিনি পাকিস্তানের পর্যটন খাতের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে একই পরিবারের অংশ হিসেবে বলেন।

সভায় এলসিসিআই সভাপতি ফাহীমুর রহমান সাইগল বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন রয়েছে। পাকিস্তান বাংলাদেশে চাল রপ্তানি বাড়াতে পারে এবং তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি, অটোমোবাইলসহ বিভিন্ন শিল্পে দুই দেশের উল্লেখযোগ্য সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার হলেও আগামী কয়েক বছরে তা বাড়িয়ে ৩ বিলিয়ন ডলারে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

 

  • ঢাকা-করাচি ফ্লাইট
  • মহান এয়ার