৮ বছর পর বাংলাদেশে আইকাও এর নিরাপত্তা অডিট শুরু সোমবার

লেখক: রাইসুল ইসলাম
প্রকাশ: ২ ঘন্টা আগে

২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) এভিয়েশন সিকিউরিটি অডিট শুরু হচ্ছে (সোমবার) ২৬ অক্টোবর। ৬ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই অডিট। এতে দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম মূল্যায়ন করা হবে।

আইকাও এর ইউনিভার্সাল সিকিউরিটি অডিট প্রোগ্রাম কন্টিনিউয়াস মনিটরিং অ্যাপ্রোচ (ইউএসএপি-সিএমএ) এর আওতায় এই অডিট পরিচালিত হবে। অডিটের আওতায় থাকবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) সদর দপ্তর, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

২০১৮ সালের অডিটে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৬৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এবার সেই স্কোর বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশের বেশি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অডিট সামনে রেখে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ৫ থেকে ৭ এপ্রিল বিদেশি এয়ারলাইনগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করে ক্যাব। এতে সাপ্লিমেন্টারি স্টেশন প্রসিডিউরস (এসএসপি) প্রণয়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি প্রোগ্রাম অনুযায়ী, বিদেশি এয়ারলাইনগুলোর জন্য এসএসপি প্রণয়ন বাধ্যতামূলক।

এ ছাড়া নয়টি নিরাপত্তা ক্ষেত্রের প্রস্তুতি তদারকিতে তিনটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারে আধুনিক এক্স-রে মেশিন ও স্ক্যানার প্রস্তুতের কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট প্রস্তুতির প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে অডিট-পূর্ব মূল্যায়ন (প্রি-অডিট) সম্পন্ন করার কথা ছিল। এর মাধ্যমে মূল অডিটের আগে প্রস্তুতির ঘাটতি শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।

এভিয়েশন নিরাপত্তার আন্তর্জাতিক মান যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আইকাও-এর এই অডিট বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অডিটে ভালো ফল অর্জনের মাধ্যমে দেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তাব্যবস্থার সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য তুলে ধরার লক্ষ্য রয়েছে।

  • আইকাও
  • আইকাও অডিট
  • এমএওজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
  • কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
  • বিমানবন্দর
  • শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
  • সর্বশেষ
  • হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর