বগুড়া, ঈশ্বরদী, লালমনিরহাটসহ ৭ বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ

লেখক: চেক ইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

সম্প্রতি বেবিচকের বোর্ড সভায় বগুড়া, ঈশ্বরদী, লালমনিরহাটসহ ৭ বিমানবন্দর চালুর উদ্যোগ নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত সোমবার (৭ এপ্রিল) বেবিচকের এই বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। বগুড়া বিমানবন্দর চালুর জন্য ইতোমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। বাকি গুলোর কাজও শুরুর তাগিদ দেয়া হয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত পরিত্যক্ত ও অকার্যকর বিমানবন্দরগুলো আবারও চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে একদিকে যেমন অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ সহজ হবে, তেমনি বিনিয়োগ ও পর্যটন খাতেও নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বগুড়া, ঈশ্বরদী, লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, কুমিল্লা, বাগেরহাট ও আরও কিছু অঞ্চলের বিমানবন্দরগুলোকে সক্রিয় করতে কাজ চলছে। এসব বিমানবন্দর চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।বগুড়ায় প্রতি বছর প্রায় পাঁচ হাজার বিদেশি পর্যটক আসেন। মহাস্থানগড়সহ নানা ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থাপনার কারণে অঞ্চলটি পর্যটনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া বগুড়ায় প্রায় ২০টি শিল্পকারখানা রয়েছে, যা বাণিজ্যিক যোগাযোগের জন্য বিমানবন্দরটি চালুর প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে।

ঈশ্বরদী বিমানবন্দরটি ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। বর্তমানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে নতুন করে এর গুরুত্ব বেড়েছে। এলাকাটিকে কেন্দ্র করে বাড়ছে শিল্পায়ন, যার জন্য একটি সক্রিয় বিমানবন্দর অপরিহার্য।

কুমিল্লা বিমানবন্দর সংলগ্ন ইপিজেড থাকলেও যাতায়াত সমস্যার কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ হারাচ্ছেন। বিমানবন্দরটি সচল হলে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে, ১৯৮০ সাল থেকে ঠাকুরগাঁও ও আশির দশক থেকে লালমনিরহাট বিমানবন্দর অচল। অঞ্চল দুটির যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য এগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাগেরহাটের খানজাহান আলী বিমানবন্দরের নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু করার জন্য ইতোমধ্যেই বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব বিমানবন্দর চালু হলে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল আরও গতিশীল হবে এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

  • বিমানবন্দর